ভালোবাসি যে তোমায় – ইসরাত জাহান ইকরা । পার্ট: 4, 5

বিনোদন

ভালোবাসি যে তোমায়  – পার্ট: 4, 5

– ইসরাত জাহান ইকরা

তারপর তারা চার টা টিকেট কেটে পার্কের ভিতরে প্রবেশ করলো। মিষ্টি ইকরা প্রবেশ করেই হা হয়ে গেল। কারণ এই পার্ক বেশ নিরিবিলি,,,, সামনে বিশাল একটা খোলা মাঠ। অনেক আকর্ষণীয় একটা জায়গা। তখনি পাশ থেকে রুদ্র বলে উঠলো এভাবে হাঁ করে থাকলে তো পার্ক টা গিলে খেয়ে ফেলবি,,,, শাকচুন্নী বলি কি আর সাধে মুখ বন্ধ কর।
ইকরা রাগে গজগজ করতে করতে রুদ্র কে দৌড়াতে শুরু করলো,,,,এক পর্যায়ে রুদ্র মিষ্টি র পিছনে লুকিয়ে বলল,,, ভাবী জ্বী আমায় ইকরা মারছে আর আপনি দাঁড়িয়ে দেখছেন ।
মিষ্টি: এই ইকরা থাম থাম কী করছিস কি এটা পার্ক ভুলে গেছিস । এক মিনিট তুই ভাবী ডাকলি কাকে। কোন দিনের ভাবী হ‌য় আমি তর ।
রুদ্র:, তুই ছাড়া আর কে থুক্কু আপনি ছাড়া আর কে । আর হ্যা দাঁড়া ভাই কে জিজ্ঞেস করে নেই আপনি আমার কোন দিনের ভাবী । এই বলে রুদ্র শুভ্রর কানে কানে বললো ভাইয়া মিষ্টি আমার কোন দিনের ভাবী রে। তখনি শুভ্র রুদ্রর মাথায় গাট্টা মেরে বলে আরে গাধা বল হবু ভাবী।
তারপর রুদ্র মাথায় চুলকে বলে, মিস্টেক হয়ে গেছে আসলে হবু ভাবী।
মিষ্টি: একবার তুই আবার আপনি একবার ভাবী আবার হবু ভাবী । কিছুই তো বুঝতে পারছি না।
পাশ থেকে ইকরা বলে উঠলো,, এই রুদ্র চল এখান থেকে । ভাইয়া আমি আর রুদ্র সামনে থেকে ঘুরে আসি ওকে এই বলে রুদ্র কে টানতে টানতে এক পাশে নিয়ে গেল।
রুদ্র: তুই আমাকে এভাবে টানতে টানতে এখানে নিয়ে এলি কেন।
ইকরা: সাধে কী আর ভাইয়া তকে গাধা বলে । ওখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাই ভাবীর রোমান্স দেখতি।
রুদ্র: oops sorry. আচ্ছা চল আমরা ওদিকটায় একটু ঘুড়ে আসি।
এইদিকে………..
এটা কি হলো ওরা আমাদের ফেলে চলে গেল কেন…..
তখনি দেখলো শুভ্র মুচকি মুচকি হাসছে। মিষ্টির শুভ্রর সেই হাসিতে চোখ আটকে গেল এবং মনে মনে বলতে ইসস একটা ছেলে যে এতো সুন্দর ভাবে হাসে তা জানা
ছিল না । মিষ্টি ভাবনার জগৎ থেকে বেরিয়ে এসে দেখে শুভ্র তার দিকেই এগিয়ে আসছে তা দেখে মিষ্টি একটা ঢোক গিললো।
মিষ্টি: হায় আল্লাহ শুভ্র ভাইয়া আমার দিকে এভাবে এগিয়ে আসছে কেন । এই ইকরা টা ও না আমাকে একা ফেলে চলে গেল। এখন ওনি যদি আমায় কিছু করে বসে। না,না ছি কি ভাবছি আমি। ধুর ভয়ে আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে (মনে মনে)
শুভ্র মিষ্টির সব ভাবনায় জল ঢেলে দিয়ে মিষ্টির চোখ বেঁধে দিল। তারপর শুভ্র মিষ্টি কে কোলে নিয়ে হাটা শুরু করলো। শুভ্র র এমন কান্ডে মিষ্টি বোকা বনে গেলো।
মিষ্টি: হায় হায় ওনি কি আমায় কিডন্যাপ করছেন নাকি। নাহ আর চুপ থাকা যাচ্ছে না কিছু একটা বলতেই হবে (মনে মনে) শুভ্র ভাই কী করছেন আমাকে নামান বলছি আমার খুব ভয় করছে।
শুভ্র: চুপ থাক,,,,, বেশি কথা বলিস। আর একটা কথা বললে ফেলে দিব।
মিষ্টি ভয়ে চুপসে গেল।
আরেকদিকে………….
ইকরা একা একা বকবক করেই যাচ্ছে। হঠাৎ পিছন ফিরে দেখে রুদ্র নেই। এমা রুদ্র ক‌ই গেল আমার সাথেই তো ছিল। এই বলে ইকরা কয়েকবার রুদ্র কে ডাক দিল কিন্তু কোন সাড়া পেল না।তাই ফোন দিতে গিয়ে দেখে বেলেন্স শেষ। হায় আল্লাহ এখন কি করি আমি কি তাহলে হাড়িয়ে গেলাম। ভেবেই ইকরার বুকের ভিতর ঢক করে উঠলো। এক অজানা ভয় কাজ করছে ইকরার।
ইকরা রুদ্র কে এদিক সেদিক খুঁজতে লাগলো তখনি ঘটলো আরেক বিপত্তি।
কোথা থেকে তিনটি নেশাগ্রস্ত লোক এসে ইকরার পথ আটকালো। এইবার ইকরার আত্মা যায় যায় অবস্থা।
১ম লোকটি: কি ম্যাডাম প্রেমিক কে নিয়ে এসেছেন বুঝি। তা আপনার প্রেমিক কোথায় দেখছি না যে।
ইকরা : ভাইয়া আ আমি প পথ হা হাড়িয়ে ফেলেছি আমাকে যেতে দিন প্লীজ ( কাপা কাঁপা গলায়)
২য় লোকটা: চলুন ম্যাডাম আমাদের সাথে আমরা আপনাকে পথ দেখিয়ে দিচ্ছি। পা থেকে মাথা পর্যন্ত ভালো করে দেখে।
ইকরা বুঝতে পারছে এগুলো ভালো লোক না তাই ইকরা বললো জ্বী আমি একাই যেতে পারবো ধন্যবাদ আমার সাহায্য লাগবে না এই বলে এদের পাশ কাটিয়ে যেতে নিলে একটি লোক হাত ধরে ফেলে।
৩য় লোকটি: যেতে বললেই কী যেতে দেওয়া যাই ম্যাডাম। চল আমাদের আমাদের সাথে এই বলে ইকরা কে হাত ধরে টানা শুরু করলো।
ইকরা সুযোগ বুঝে লোকটা কে ধাক্কা দিয়ে দিল দৌড় । ঐ তিনজন লোক ও ইকরার পিছনে দৌড়াচ্ছে। হঠাৎ ইকরা পা পিছলে পড়ে যেতে নিলে কেউ একজন ইকরা কে ধরে ফেলে। সামনে তাকিয়ে দেখে রুদ্র তারপর ইকরা রুদ্র কে জরিয়ে ধরে কান্না করে দেয়।
তারপর রুদ্র বললো কী ভাই একজন মেয়ের পিছনে এভাবে কুকুরের মত দৌড়াচ্ছেন কেন।
২র লোকটি: তারমানে এই মেয়েটির প্রেমিক তুই আর আমাদের কি বললি আমরা কুকুর তাহলে তকে মেরে তর সামনে তর প্রেমিকা কে তুলে নিয়ে যাবো দেখি তুই কি করতে পারিস। বলেই হেসে করে হাসা শুরু করলো।
ইকরা : রুদ্র তুই যাস না । এরা তকে মেরে ফেলবে আমার খুব ভয় করছে রুদ্র। এই বলে ইকরা ফুঁপিয়ে কান্না শুরু করলো।
রুদ্র: কিছু হবে না তুই আমার পিছনে দাঁড়া এরা এখন নেশাগ্রস্ত আমার সাথে পারবে না। এই বলে ইকরাকে জোর করে নিজের থেকে ছাড়িয়ে শার্টের হাতা গুটাতে ঢুকাতে এদের সামনে গেল।
রুদ্র: দেখ ভাই ভালোই ভালোই বলছি এখান থেকে চলে যা। নয়তো তদের পড়ে হাসপাতাল পাঠানোর ও মানুষ থাকবে না।
১ম লোকটি রুদ্র কে ধাক্কাতে ধাক্কাতে বললো কি করবি হ্যা দেখি কি করতে পারিস এই বলে ঘুসি মারলো রুদ্র কে। এই বার রুদ্রর প্রচন্ড রাগ হলো এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হলো ওদের সাথে । লোকগুলো চিকন তার উপর নেশাগ্রস্ত থাকায় না পেরে শেষ মেষ দৌড়ে পালালো।
লোক গুলো চলে যাওয়ার পর ইকরা দৌড়ে গিয়ে রুদ্র কে জরিয়ে ধরে কান্নার বেগ আরো বাড়িয়ে দিল। আর রুদ্রর বুকে কিল ঘুষি এলোপাথাড়ি মারতে লাগলো এবং ১০০ টা গালি দিল।
ইকরা: কুত্তা শয়তান বিল্লি চামচিকা আজকে তর জন্য এমন হলো। এসবের জন্য তুই দায়ী তুই তুই তুই।
রুদ্র: আচ্ছা বাবা সরি আর এমন হবে না। আমি তকে ভয় দেখাতে গিয়ে এসব হয়ে গেছে। দেখি আমার দিকে তাকালো তো, এ বাবা চোখের পানিতে দেখি কাজল ছড়িয়ে গেছে এখন পুরো পেতনির মতো লাগছে এটা বলার সাথে সাথেই ইকরা আর রুদ্র ঠিক করে হেসে দিল।
ইকরা: চল এবার দেখি ওরা দুজন কি করছে সন্ধ্যা হয়ে এলো বলে( এই বলে রুদ্র আর ইকরা এই জায়গা ত্যাগ করলো)
এইদিকে…….
শুভ্র মিষ্টি কে কোল থেকে নামিয়ে একটি চেয়ারে বসালো।
মিষ্টি: আল্লাহ গো এখন আমাকে এই চেয়ারের সাথে বাঁধবে নাকি। ( মনে মনে) তারপর শুভ্র মিষ্টির চোখের বাঁধন খুলে দিল।‌ মিষ্টি সামনে যা দেখলো তাতে একেবারে হা হয়ে গেল সেই সাথে অবাক……….
মিষ্টি সামনে তাকিয়ে দেখে ইয়া বড় একটা কেক। কেকে লেখা আছে i love you misti । কেক এর সাথে আছে দুটো লাভ বার্ড এবং মিষ্টি আর শুভ্রর ছোটবেলার ছবি। আরে এটা তো সেই লাভ বার্ড যেটা ছোটবেলায় ইকরার জন্য উরে গেছিলো । এটার জন্য কত‌ই না কান্না করেছিল মিষ্টি সেদিন শুভ্রর কাছে বায়না ধরেছিল এই পাখি দুটি এনে দিতে। কিন্তু সেদিন শুভ্র এনে দিতে পারেনি বলে মিষ্টি শুভ্রর সাথে আরি দিয়েছিলো,,,,,,,এসব ভেবেই মুচকি হাসি দিলো মিষ্টি ।
তারপর চোখ যায় সেই ফটো ফ্রেমে কতো আগের ছবি কিন্তু এখনো একটু ও মরিচা ধরে নি দেখেই বোঝা যায় খুব যত্নে রাখা ছিল ছবিটি। তারপর চোখ যায় টেবিলের চারপাশে মিষ্টির প্রিয় হলুদ গোলাপ দিয়ে সাজানো টেভিল টি। সেই সাথে মেঝেতে অনেক গুলো বেলুন ছড়িয়ে আছে এইসব দেখে মিষ্টি কী যে খুশি । হঠাৎ মিষ্টির খেয়াল হয় তার সাথে তো শুভ্র ছিল কিন্তু সে ক‌ই।
তখনি মিষ্টি পিছনে তাকিয়ে দেখে শুভ্র তার দিকে তাকিয়ে ঠোঁট কামড়ে হাসছে। মিষ্টি শুভ্রর সেই হাসি
দেখে মারাত্মক ক্রাশ খায়।
_____________
তারপর শুভ্র আস্তে আস্তে মিষ্টির কানে কানে ফিসফিসিয়ে বলে । সে কি জানে তাকে হাসলে কতোটা সুন্দর লাগে। সে কি জানে তার কষ্ট হলে তার এক অবুঝ প্রেমিকের দ্বিগুণ কষ্ট হয়। ভালোবাসি আমার মিষ্টি পরিটা কে । সে কি দিবে তার এই অবুঝ প্রেমিককে একটাবার ভালোবাসার সুযোগ। এটা বলেই মিষ্টির কানের লতিতে হালকা কামড় দিল শুভ্র।
মিষ্টি লজ্জায় যেই দৌড় দিবে এমনি পায়ের সাথে কিছু একটা আটকে ছিঁড়ে যায় আর সাথে সাথে উপর থেকে হলুদ গোলাপের পাপড়ি পড়তে থাকে। এইসব দেখে মিষ্টি হা হয়ে যায় তখনি একটা পায়রা এসে মিষ্টির উপর একটা চিরকুট ফেলে যায়। চিরকুটে লেখা ভালোবাসি ব‌উ💕💕 তখনি মিষ্টির অজান্তেই ফুটে ওঠে এক চিলতে হাসি। মিষ্টির খুব ইচ্ছে করছে দৌড়ে গিয়ে শুভ্র কে জরিয়ে ধরে বলতে আমি ও ভালোবাসি আপনাকে। খুব ভালোবাসি আমি যে তোমায় কিন্তু না মিষ্টি এখন কিছু বলতে চাই না। সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মিষ্টি বলে উঠলো ………
মিষ্টি: আপনাকে একটু অপেক্ষা করতে হবে। যখন আমি বুঝবো যে আমি আপনাকে ভালোবাসি তখন ছোট্টে গিয়ে আমিই আপনাকে বলবো ভালোবাসি।
শুভ্র মাথা চুলকে বলে আমি যুগ যুগ ধরে অপেক্ষা করতে পারবো আমার মিষ্টি পরিটার জন্য। এরপর শুভ্র ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বলে তাহলে ম্যাডাম চলুন এবার যাওয়া যাক। দেখি গিয়ে দুই মহারাজা আর মহারানীর কি করছে । এই বলে মিষ্টি আর শুভ্র কিছুদূর যাওয়ার পর দেখে ইকরা রুদ্র এদিকেই আসছে।
শুভ্র: কি ব্যাপার শালিকা এতো দেরি করলে যে,এই বলে রুদ্র দিকে তাকালো দেখলো রুদ্রর ঠোঁট কেটে রক্ত বেরোচ্ছে। তারপর শুভ্র রুদ্র কে জিজ্ঞেস করল কি ব্যাপার রুদ্র তর ঠোঁট কাটলো কি করে।
রুদ্র: ইয়ে মানে ভাইয়া আসলে ( তারপর ইকরার সাথে হ‌ওয়া ঘঠনা গুলো খুলে বললো) শুভ্র সব শুনে রাগে হাত মুষ্টিবদ্ধ করে রেখেছে। এবং মিষ্টি গিয়ে ইকরা কে জরিয়ে ধরেছে । পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ইকরা বলে উঠলো যা হবার হয়ে গেছে এখন আমি ঠিক আছি।এই নিয়ে বাড়িতে কিছু বলতে হবে না। না হলে সবাই চিন্তা করবে।
শুভ্র: আচ্ছা ঠিক আছে তবে এর শেষ টা আমি দেখেই ছাড়বো। চলো এবার যাওয়া যাক।
তারপর তারা সেখান থেকে এক রেস্টুরেন্টে গেল।
সেখানে গিয়ে বসতেই সব মেয়েরা শুভ্র আর রুদ্রর দিকে হা করে চেয়ে আছে যেমন তারা কোনদিন এমন সুন্দর ছেলেই দেখে নি যেভাবে তাকিয়ে আছে মনে এখুনি পারলে গিলে খেয়ে ফেলবে। এইসব দেখে মিষ্টির খুব অস্বস্তি হচ্ছে। শুভ্র বুঝতে পেরেছে যে মিষ্টি জ্বেলাস হচ্ছে তাই আরেকটু জ্বেলাস করতে ভাব ধরল । শুভ্র তারপর শুভ্র মিষ্টি কে উদ্দেশ্য করে বললো।
শুভ্র: এহেম এহেম,,,,,, মিষ্টি কি খাবি বল।
মিষ্টি: এখানে কিছু খেতে হবে না ।চলুন এখান থেকে এই বলে মিষ্টি শুভ্রর হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে চললো আর ইকরা কে বললো। ইকরা তুই রুদ্র কে নিয়ে আয় আমরা গাড়িতে অপেক্ষা করছি।
গাড়িতে………
শুভ্র ; এটা কি হলো,,,,, কিছুই তো খাওয়া হলো না।
উল্টো যেভাবে টেনে এনেছিস সবাই তকে এখন আমার ব‌উ ভাববে ( বলেই চোখ মারলো)
মিষ্টি: ভাবলে ভাবুক তাতে আমার কি। যেভাবে তাকিয়ে ছিল মনে হচ্ছে এখুনি গিলে খেয়ে ফেলবে।
শুভ্র: ওরে বাপরে,,,,, তাহলে ম্যাডাম কি জ্বেলাস। অবশ্য এই রকম হ্যান্ডসাম ছেলে দেখলে যে কেউই তাকিয়ে থাকবে।
মিষ্টি: আমার বয়েই গেছে জ্বেলাস হতে। আর যেভাবে তাকিয়ে ছিল মনে তো হচ্ছে এই প্রথম একটা জুকার দেখছে।
শুভ্র : কি আমি জুকার, তবে রে।
এইদিকে………
ইকরা রাগে ফুঁসছে আর ইকরা কে আরো রাগানোর জন্য রুদ্র আরো বেশি করে মেয়েদের সাথে কথা বলছে। তারপর ইকরা রুদ্র কে বললো ,,,,,,,,, রুদ্র ভাইয়ারা আমাদের জন্য গাড়িতে অপেক্ষা করছে চল এখান থেকে তারপর রুদ্র বললো চারপাশে এতো সুন্দরী মেয়ে থাকলে যেতে ইচ্ছা করে তুই ওদের সাথে চলে যা আমি পড়ে আসছি এই বলে রুদ্র হাত দিয়ে নিজের চুল ঠিক করছে। আর মেয়েদের সুন্দরী বলাই মেয়েরা বার বার আয়না দেখছে । একজন লিপস্টিক ঠিক করছে আরেকজন মেকআপ ঠিক করছে।
এইবার ইকরার রাগ চরম পর্যায়ে উঠে গেল তারপর ইকরা বিরবির করে বললো দাড়া তর ভাবগিরি আমি ছোটাচ্ছি,,,,তর ঘাড় ধরে এখান থেকে নিয়ে যাবো আমি দাঁড়া। সোজা কথায় ঘি না উঠলে এটাই করতে হবে। এই বলে যেই রুদ্রর ঘাড় ধরতে যাবে ওমনি রুদ্র হঠাৎ করে ইকরা কে কোলে তুলে নিল। কোলে নিয়ে গাড়ির উদ্দেশ্যে হাঁটা ধরলো। রুদ্রর এমন কাজে সেখানে উপস্থিত সব মেয়েরা বোকা বনে গেলো।
ইকরা: এটা তুই কি করলি। আমাকে নামান বলছি ।
রুদ্র: যেইভাবে আমার ঘাড়ে ধরতে গেছিলি ঠিক সময় যদি না কোলে নিতাম ওখানে আমার মান সম্মান একেবারে শেষ করে দিতি। তাই বাধ্য হয়ে তর মতো হাতি কে কোলে নিতে হয়েছে। এই বলে ইকরা সহ রুদ্র ও গাড়িতে উঠলো এবার রোওনা দিল বাড়ির উদ্দেশ্যে।
বাড়িতে এসে যে যার রুমে গেল ফ্রেস হতে……..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *