ভালোবাসি যে তোমায় – ইসরাত জাহান ইকরা । পার্ট: 11

বিনোদন

ভালোবাসি যে তোমায়

– ইসরাত জাহান ইকরা

বাড়িটা খুব সুন্দর ভাবে সাজানো হয়েছে। বিভিন্ন রকমের রান্না হচ্ছে। এবার বেশ জাঁকজমক ভাবেই বিবাহ বার্ষিকী পালন করা হচ্ছে আশা চৌধুরীর এবং আরমান চৌধুরীর। সকালে ড্রয়িং রুমে বসে সবাই মিলে আড্ডা দিচ্ছে । সবার আড্ডার মাঝেই রোদ মিষ্টি কে উদ্দেশ্য করে বলে উঠলো । ভাবী আপনার বোন কে দেখছি না যে সে কোথায়। তারপর মিষ্টি বলে উঠলো আরে ইকরা তো ছাদে গেছে আঁচার আনতে। পাশ থেকে শুভ্র বলে উঠলো….. শালা আমার একমাত্র শালিকার উপর নজর দিবি না বলে দিলাম।
বিনিময়ে রোদ মুচকি হাসলো। রোদের এই মুচকি হাসি অনেক কিছু বুঝিয়ে দিচ্ছে তা রুদ্র লক্ষ্য করলো।
শুভ্রর মুখে শালিকা নাম শুনে দিশা বিরক্ত বোধ করলো। এদিকে ইকরা আঁচার খেতে খেতে এসে রুদ্রর পাশে বসলো। যা দেখে ইশার শরীরে আগুন ধরে গেল। তারপর ইশা বলে উঠলো রুদ্র আমি আজকে কি পরবো তা বুঝে উঠতে পারছি না তুমি আমার রুমে গিয়ে একটু চয়েস করে দিবে প্লীজ। এই বলে ইশা রুদ্র কে টানতে টানতে ঘরে নিয়ে গেল। ইকরা আচারের বাটি টা টেবিলের উপর রেখেই ওদের পিছন পিছন গেল। তখনি আরমান চৌধুরী রোদ আর শুভ্র কে বলে উঠলো___শুভ্র তোমারা ওইদিকটায় দেখো তো অতিথি আপ্যায়নে কোন ত্রুটি হয়‌ কি না। এই বলে ওরা ওদিকটায় চলে গেল। মিষ্টির একটা ফোন আসায় সে ও উপরে চলে গেল। ওরা সবাই চলে যেতেই দিশার মাথায় একটা শয়তানি বুদ্ধি আসলো। তারপর দিশা তেল খুঁজতে রান্না ঘরের দিকে পা বাড়ালো । কিন্তু রান্না ঘরে অনেক সার্ভেন্ট থাকায় দিশা তেল আনতে পারলো না। তখনি দিশার টেবিলের উপর চোখ যায় আচারের বাটির দিকে । বাটিতে জমে থাকা তেল দেখে শয়তানি হাসি দিল দিশা। তারপর সেই তেল সিরি তে ঢালতে ঢালতে দিশা বলে উঠলো__ তর খুব ডানা গজিয়েছে না মিষ্টি দেখ‌ এবার কেমন লাগে আমার শুভ্রকে নিয়ে স্বপ্ন দেখার ফল কতটা ভয়াবহ তকে আজ বুঝিয়ে ছাড়বো। তখনি পিছন থেকে কাজের মেয়ে বলে উঠলো__ একি ম্যাডাম এখানে তেল পড়লো কি করে।
দিশা: (এই আপদটার এখনি আসতে হলো (মনে মনে) মানে,,,,, আসলে ভু ভুল করে পড়ে গিয়েছে। ( ঘাবড়ে গিয়ে তুতলিয়ে তুতলিয়ে বললো দিশা)
কাজের মেয়ে: আচ্ছা ম্যাডাম সমস্যা নাই। আপনি সরেন আমি এহনি মুছে দিচ্ছি। (এই বলে মুছতে নিলে দিশা বলে উঠলো)
দিশা: আরে দাঁড়াও দাঁড়াও । তুমি মালতি তাই না। তোমার তো আজ ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার কথা।
মালতি: হো ম্যাডাম। বড় ম্যাডাম কয়ছে যাওয়ার আগে ঘর টা ভালো ক‌ইরা মুইছা দেওয়ার লাইগা। এহন সরেন তো দেহি আমার কাজ তাড়াতাড়ি শেষ ক‌ইরা বাড়ি যাইতে হইবো।
দিশা: আরে শুনো শুনো। তুমি এক কাজ কর তুমি বাড়ি চলে যাও আমি এটা মুছে ফেলবো। তুমি সারা বাড়ি মুছেছো আবার আমার জন্য তোমার কষ্ট করে এসব করতে হবে না।( যাক আপদ টা বিদেয় করলেই বাঁচি)
মালতি: কি কন ম্যাডাম। আমি থাকতে আপনে এতো কষ্ট করবেন বড় ম্যাডাম জানলে অনেক বকবো।
দিশা: তোমাকে কেউ কিচ্ছু বলবে না। তুমি এবার যাও তো আমি বাকিটা করে নিচ্ছি।
মালতি: আচ্ছা ম্যাডাম। আমি তাইলে গেলাম গা। এই বলে মালতি চলে গেল। এবার দিশা হাফ ছেড়ে বাঁচলো। দিশা আরাম করে সোফায় বসে রয়লো মিষ্টির আসার অপেক্ষায়।
এইদিকে ইশা রুদ্র কে অনেক গুলো ওয়েসট্রান ড্রেস দেখাচ্ছে। রুদ্র এগুলো দেখে বিরক্ত ফিল করছে ভেবেছিল আজ ইকরার সাথে একটু ঝগড়া করবে। সেই সুযোগ এই মেয়েটা আর দিল ক‌ই।
ইশা: দেখো তো রুদ্র কোন ড্রেস টা আজ পড়বো।
তখনি পাশ থেকে ইকরা বলে উঠলো এগুলো একটা ও পড়তে হবে না তোমায় ইশা। আমি তোমার জন্য বেস্ট কতগুলো ড্রেস নিয়ে এসেছি। রুদ্র ইকরা কে দেখেই রুদ্রর অজান্তে মুচকি হাসি ফুটে উঠল।
ইশা উত্তেজিত হয়ে জিজ্ঞেস করলো দেখি তো। তারপর ইকরা কত গুলো বাচ্চাদের হাফপ্যান্ট আর গেঞ্জি দেখিয়ে বললো এগুলো তে তোমায় দারুন দেখাবে। রুদ্র এবার জোরে হেসে দিল। ইশা কিছু বলতে নিবে তখনি ড্রয়িং রুম থেকে আশা চৌধুরীর চিৎকার আসলো। ইকরা রুদ্র দৌড়ে গেল বিষয় টি দেখার জন্য।
ততক্ষণে বাড়ির সবাই জরো হলো ড্রয়িং রুমে। আশা চৌধুরী কে ড্রয়িং রুমের মেঝেতে পরে থাকতে দেখে শুভ্র , মা বলে চিৎকার দিয়ে দৌড়ে এসে আশা চৌধুরী কে কোলে তুলে সোফায় এনে বসিয়ে দিল। দিশা এসব দেখে হতভম্ব হয়ে বসে আছে। দিশা কার জন্য কুয়ো খুড়লো আর কে এসে পড়লো এসব ই ভাবছে দিশা। অতিথি রা কানাকানি করছে আজকেই বাড়িতে একটা অনুষ্ঠান আর আজকেই কি একটা কেলেঙ্কারি কান্ড ঘটল। আরমান চৌধুরী ডাক্তার কে কল করছে। রুদ্র এসে সবাই কে জোরে একটা ধমক দিয়ে থামিয়ে দিল।
মিষ্টি এসে জেঠিয়া বলে কান্না করতে শুরু করলো। ইকরা এসে আশা চৌধুরীর মুখে পানি ছিটাতে লাগলো জ্ঞান ফেরানোর জন্য।
একসময় ডাক্তার এসে আশা চৌধুরীর মাথায় বেন্ডিস করে দিয়ে কিছু ঔষধ লিখে দিল। তারপর ডাক্তার বললো ভয়ের কিছু নেই। মাথাতে সামান্য চোট লেগেছে মাত্র। এই ঔষধ গুলো সময় মতো খাওয়াবেন তাহলেই ঠিক হয়ে যাবে। এখন আমি আসি।
আরমান চৌধুরী: একি বলেছেন। কিছু না মুখে দিয়েই চলে যাবেন।
ডাক্তার: তার আর দরকার হবে না। আমার একটা দরকারি কাজ আছে তাই একটু তাড়া আছে। আমি এখন আসি চৌধুরী সাহেব। এই বলে ডাক্তার চলে গেল।
____________________
শুভ্র: এবার বলো তো মা তুমি কি করে পড়লে।
আশা চৌধুরী: আমি তাড়াহুড়োই নিচে নামার সময় সিরিতে তেল জাতীয় কিছু ছিল হয়তো। ওটাতে পিছলে পড়ে গিয়েছি।
তখনি রুদ্র সিঁরিতে আচারের তেল পায়। আর রেগে ইকরার দিকে তাকায় তখনি রুদ্র গিয়ে ইকরার গালে স্বজোরে থাপ্পড় মারে। ইকরা ছলছল চোখে রুদ্রর দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। সবাই এটা দেখে আঁতকে উঠে। সবাই জিগ্গাসো দৃষ্টি যে রুদ্রর দিকে তাকিয়ে থাকে। তারপর রুদ্র বলে উঠলো ছি ইকরা তুই সিরিতে কীভাবে তেল ফেললি। আমার সাথে ইশাকে দেখে তর সহ্য হয়নি তাই না। তকে তো আমি এই বলে আবার ইকরাকে থাপ্পড় মারতে যাই তখনি আশা চৌধুরী বলে উঠে। রুদ্র আর একটা টোকা ও যদি ইকরার গায়ে লাগে তাহলে তর হাত আমি কেটে ফেলবো।
রুদ্র: আম্মু যার জন্য তোমার এই অবস্থা হলো তাকেই তুমি সাপোর্ট করছো।
আশা চৌধুরী: কি প্রমাণ আছে যে ইকরার তেল ফেলেছে।
রুদ্র: প্রথমত ইকরা আমার সাথে ইশা কে দেখলে হিংসে করে। আর দ্বিতীয়ত এই তেল থেকে আচারের গন্ধ আসছে ‌। সকালে আচার ইকরাই খেয়েছে। এটাই কি সবচেয়ে বড় প্রমাণ নয় কি।
ইকরা: জেঠিয়া বিশ্বাস করো আমি এই কাজ করে নি। (কান্না করতে করতে হেঁচকি তুলে)
ইশা’: কাকে তুমি বিশ্বাস করার কথা বলছো। তুমি কি আজ আচার খাও নি।
ইকরা: হ্যা কিন্তু,,,,,,এই বলে মাথা নামিয়ে ফেলে। হ্যা সত্যিই তো আজ আমিই তো আচার খেয়েছি এখন ওদেরকে এখন কি বলে বিশ্বাস করাবো( মনে মনে)
রুদ্র: এখন মাথা নামিয়ে ফেলেছিল কেন। মাথা নিচু করা মানে সব স্বিকার করা তাইতো।( রেগে)
ইকরা: …………নিশ্চুপ……….
দিশা: (বেশ হয়েছে( শয়তানি হেসে) ছি ইকরা তুমি এতো নিচে নামতে পারলে। আমার বোন তোমার কি ক্ষতি করেছে।
এবার আরিফ চৌধুরী গিয়ে ইকরা কে জোরে একটা চর বসিয়ে দিল,,,,,,,,,
আরিফ চৌধুরী: ছি ইকরা। তোমাদের আমি এই শিক্ষা দিয়েছি। ভাবতে ও আমার লজ্জায় কান কাটা যাচ্ছে। চলে যাও আমার সামনে থেকে।( বুকে হাত দিয়ে)
ইকরা: বাবা তুমি ও আমায় অবিশ্বাস করে মারতে পারলে ( কান্না করতে করতে)
আরিফ চৌধুরী: ঘরে যাও বলছি( রাগী দৃষ্টি তে)
ইকরা: রুদ্র আমি জানি একদিন তুই বুঝতে পারবি আমি যে নির্দোষ। সেদিন দয়া দেখাতে আমার সামনে যাবি না প্লীজ। এই বলে ইকরা দৌড়ে ঘরে চলে গেল।
দিশা: কেমন বেয়াদব মেয়েরে বাবা যাবার আগে চোখ রাঙিয়ে যায়।
এবার মিষ্টি জোরে চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো।
মিষ্টি: just shut up. অনেকক্ষণ ধরে আমার বোনের নামে বাজে কথা শুনেছি। আর একটা কথা বললে খুব খারাপ হয়ে যাবে বলে দিলাম।
রুদ্র: মিষ্টি প্লীজ তুমি ইকরার হয়ে সাফায় গেঁয়ো না।
মিষ্টি: তুমি চুপ করো রুদ্র। আমাকে বলতে দেও । এতক্ষণ তোমরা বলেছো আমি শুনেছি। এখন আমি বলবো তোমরা শুনবে।
ইশা: চোরের মায়ের বড় গলা।
মিষ্টি: তোমাকে কিছু বলেছি। আমার বোন কে আর একটা বাজে কথা বললে চর দিয়ে তোমার গাল লাল করে দিব।
আরিফ চৌধুরী: আহ্ মিষ্টি কি হচ্ছে টা কি।
আশা চৌধুরী: মিষ্টি কে বলতে দেও। কিছু কিছু জিনিস ছোটদের উপর ছেড়ে দিতে হয়। ওখানে বড়দের না যাওয়াই ভালো।
এবার দিশা বলে উঠলো তোমার সাহস তো কম নয়( চোখ রাঙিয়ে)। তারপর মিষ্টি দিশার কানে ফিসফিসিয়ে বলে,,,, ঐ দিন যে আমায় চর দিয়েছিলেন শুভ্র আর শুভ্রর পরিবার কে কি বলে দিব। তারপর দিশা ফিসফিসিয়ে বলে তাহলে আমি ও বলে দিব তোমারা ঐদিন কি অবস্থায় ছিলে। তারপর মিষ্টি বললো _____ বলো তাহলে বললে শুভ্র তোমায় ঘৃণা করবে আর আমি আর শুভ্র পালিয়ে যাবো এই বলে মিষ্টি মুচকি হাসলো। ( মিষ্টি জানে এসব জীবনে ও করতে পারবে না। কারণ মিষ্টি চাই না তার জন্য তার জেঠা জেঠি কষ্ট পাক। তবুও দিশাকে ভয় দেখাতে এসব বলতে হলো) দিশা মিষ্টির কথাতে চুপসে যায়।
মিষ্টি: তাহলে এবার আসল কথায় ফিরা যাক। ইকরা টেবিলের উপর আচারের বাটি টা রেখে যায় আমরা ও যে যার কাজে চলে যাই । তখন মালতীকে ঘর মুছতে দেওয়া হয়। মানছি ইকরাই তেল টা ফেলেছে। মালতি যে সময় ঘর মুছে তখন তো তেল টা মুছে ফেলার কথা। কারণ সব জায়গায় মালতি কে বলা হয়েছিল মুছার জন্য।
দিশা: এমনো তো হতে পারে মালতি চলে যাওয়ার পর তেল টা ফেলা হয়েছে ( ঘাবড়ে গিয়ে)( বাপরে যতটা বোকা মনে করেছি ঠিক ততটা বোকা নয়তো দেখছি । চালাক আছে বলতে হবে) মনে মনে।
মিষ্টি: আপু আপনাকে বলতে বলেছি। আপনি চুপ থাকুন। মালতি কে জিগ্যেস করলেই হবে। জেঠি মালতি কে ডাকো তো।
দিশা: মালতির তো আ আজ ছু ছুটি ও ওকে কোথা থেকে ডাকবে আংটি।( তুতলিয়ে)
আশা চৌধুরী: আজ তো বিকেলে অনুষ্ঠান তাই মালতি কে বলেছি খেয়ে যেতে। ওর আজ কোন কাজ করতে হবে না। তাই সকালে যাই নি। সন্ধ্যায় আমার বাড়ির ড্রাইভার মালতি কে নিয়ে দিয়ে আসবে। তাই মালতি সকালে থেকে গেছে। (এই শুনে দিশা ঘাবড়ে যায়)
তারপর মালতি কে ঢাকা হলো। মালতি কে দিশা চোখ রাঙানি দিচ্ছে যাতে না বলে। তারপর মালতি বলে উঠলো_______
মালতি: আমারে চোখ রাঙানি দেন কেন। এখন আকাম ক‌ইরা নিজের দোষ ঢাকতে চান। আমি গ্ৰামের মাইয়া কাওরে ভয় পাই না। মিষ্টি ম্যাডাম তাহলে শুনেন ( তারপর সব ঘটনা খুলে বললো)
সব শুনে রুদ্র মাথা নিচু করে আছে। আর দিশা আমতা আমতা করছে। এবার মিষ্টি বলে উঠলো
মিষ্টি: পাপ বাপকেও ছাড়ে না,,,,, আমি জানি আমার বোন এমন না। বাবা তোমাকে বলছি তুমি তোমার মেয়েদের ঠিকি মানুষ করেছো। আমি জানি তুমি বোনকে চর মেরে তুমারো অনেক কষ্ট হচ্ছে। তবুও আরেকবার বলব না যাচাই করে কাউকে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া ঠিক না। আর রুদ্র তকে বলছি আমার বোনের সামনে যাতে তকে না দেখি। যদি ওর সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছিস ,,,তো আমার চাইতে খারাপ আর কেউ হবে না। তুই থাকিস তর ইশা কে নিয়ে। এই বলে গটগট করে সেখান থেকে মিষ্টি চলে গেল।
আশা চৌধুরী: দিশা আমি জানি না তুমি কেন এমন করেছো বাচ্চা মানুষ হয়তো ভুল করে ফেলেছো। যাই হোক এসব ভুলে এখন অনুষ্ঠান টা ভালো ভাবে মিটতে দেও। আর এটা নিয়ে কোন কথা না।
বিকেলে………..
সবশেষে অনুষ্ঠান টা ভালো ভাবেই কেটেছে। সারাটা দিন ইকরা রুদ্র কে ইগনোর করে চলেছে। রুদ্র ও ইকরার সামনে যাই নি কোন মুখ নিয়ে যাবে সে। আগে যে যাইগায়্ রুদ্র ইশার সাথে কথা বললে ইকরা মুখ ফুলিয়ে বসে থাকতো। আজ সে যায়গায় ইকরা এমন ভাবে থেকেছে যেন রুদ্র নামে কোন মানুষ কেই
চিনে না। আজ মিষ্টি খুব খুশি কারণ এই প্রথম সে প্রতিবাদ করেছে। এই প্রতিবাদ করাটাই ইকরা শিখেছে।
চলবে 💕💕💕💕

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *